Wi-Fi নেটওয়ার্ক QR কোড জেনারেটর

ওয়াই-ফাই কিউআর কোডে নেটওয়ার্কের নাম আর পাসওয়ার্ড থাকে, তাই অতিথি ক্যামেরা ধরলেই যুক্ত হয়ে যান, কাউকে পাসওয়ার্ড মুখে বলতে হয় না। শুরুতেই জেনে রাখা ভালো: পাসওয়ার্ডটি কোডের ভেতরে পড়ার মতো অবস্থায় থাকে, তাই এটি অতিথি নেটওয়ার্কের জিনিস, মূল নেটওয়ার্কের নয়।

ডিজাইন কাস্টমাইজ করুন 22 styles
#000000
#ffffff
ui.no_file_selected

ui.background_image_hint

ui.controls_need_upload

ui.ecc_logo_hint

তথ্য পূরণ করে “তৈরি করুন” বাটনে ক্লিক করুন
ui.generating_qr

ui.howto_heading

  1. আগে অতিথি নেটওয়ার্ক চালু করুন এখনকার প্রায় সব রাউটারেই এটি আছে, সাধারণত «গেস্ট» নামে। এটি বাড়তি ঝামেলা নয়, এটিই আসল কথা — মূল নেটওয়ার্কে কোড লাগানো মানে প্রিন্টার, নেটওয়ার্ক ড্রাইভ আর ঘরের বাকি সবকিছুর চাবিও একসঙ্গে বিলিয়ে দেওয়া।
  2. রাউটার যেমন নাম সম্প্রচার করে হুবহু তেমনই লিখুন বড়-ছোট হাতের অক্ষর আর স্পেস দুটোই গোনা হয়। ফোনের কাছে «Cafe Guest» আর «cafe guest» দুটি আলাদা নেটওয়ার্ক, আর কোডে যেটি লেখা সেটিই সে খুঁজবে।
  3. নামটি ইংরেজি অক্ষরে রাখার কথা ভাবুন এটি অভ্যাসের কথা নয়, কারণের কথা: বাংলা প্রতিটি অক্ষরে তিন বাইট খরচ হয় আর নামের সীমা বাইটে মাপা, তার উপর পুরোনো রাউটার বাংলা নাম ভেঙে দেখায়। ইংরেজি অক্ষরের নাম একসঙ্গে ছোটও হয়, সব যন্ত্রে ঠিকঠাক দেখায়ও।
  4. ডব্লিউপিএ বেছে নিন, রাউটারে WPA2 বা WPA3 লেখা থাকলেও বিন্যাসে নিরাপত্তার মান আছে মোটে তিনটি। ডব্লিউপিএ বিকল্পটি WPA, WPA2 আর WPA3 তিনটিই ঢাকে; WPA3 নেটওয়ার্ক ডব্লিউপিএ হিসেবে লেখা হয় আর দিব্যি যুক্ত হয়। WEP শুধু সত্যিকারের পুরোনো যন্ত্রের জন্য, আর «পাসওয়ার্ড ছাড়া» শুধু সত্যিই খোলা নেটওয়ার্কের জন্য।
  5. পাসওয়ার্ড বসান, যতিচিহ্ন নিয়ে ভাববেন না সেমিকোলন, কমা, কোলন, উদ্ধৃতিচিহ্ন আর ব্যাকস্ল্যাশ — হাতে বানানো কোড ভাঙে এই পাঁচটি অক্ষরেই। এই যন্ত্র পাঁচটিকেই লেখার আগে সামলে নেয়, তাই <code>Cha;2026</code> ধরনের পাসওয়ার্ড যেমন লেখা তেমনই কাজ করে।

ui.about_heading

কোডের ভেতরে থাকে ছোট একটি নির্দেশ — নেটওয়ার্কের নাম, পাসওয়ার্ড, নিরাপত্তার ধরন আর নেটওয়ার্কটি লুকানো কি না — যা ফোন বুঝতে পারে। এটি লিঙ্ক নয় এবং কোনও পাতা খোলে না: ফোন বিন্যাসটি চিনে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয়।

পাসওয়ার্ডটি এনক্রিপ্ট করা নয় এবং লুকানোও নয়। কোডের একটি ছবি পেলেই যে কেউ সেটিকে লেখা হিসেবে পড়ে ফেলতে পারে। এটি এই যন্ত্রের ত্রুটি নয়, এটিই বিন্যাসটির স্বভাব: পাসওয়ার্ড বিলি করার সহজ উপায়, পাসওয়ার্ড আড়াল করার উপায় কখনওই নয়।

এ কারণেই সৎ পরামর্শ হলো কোডটি আলাদা পাসওয়ার্ডসহ অতিথি নেটওয়ার্কে বসানো। তখন কাউন্টারের কার্ডটি ঠিক ততটুকুই বিলি করে যতটুকু আপনি চেয়েছিলেন, আর পরে পাসওয়ার্ড বদলাতে খরচ হয় একবার ছাপা, ঘরের সব যন্ত্র নতুন করে যোগ করা নয়।

ui.usecases_heading

রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকান আর অপেক্ষার ঘর

টেবিলের কার্ডটি ওই পরিচিত কথোপকথনের জায়গা নেয়। অতিথি নেটওয়ার্কের জন্য ছাপুন, আর পাসওয়ার্ড বদলালে আবার ছাপুন — বেশির ভাগ জায়গা ঠিক ওই মুহূর্তেই টের পায় যে কোডটা এতদিন মূল নেটওয়ার্কেই লাগানো ছিল।

অল্প সময়ের ভাড়া বাসা আর গেস্টহাউস

অতিথি পৌঁছান মাঝরাতে, ফোনের চার্জ শেষ আর ল্যামিনেট করা কার্ডে লেখা বিশ অক্ষরের পাসওয়ার্ড টাইপ করার ধৈর্য নেই। ওয়াই-ফাই কোডের দাম এখানেই সবচেয়ে বেশি।

অতিথিদের জন্য আলাদা নেটওয়ার্ক আছে এমন অফিস

অভ্যর্থনা কাউকে কিছু টাইপ না করিয়েই অতিথি নেটওয়ার্ক দিয়ে দেয়, আর পাসওয়ার্ড বদলের যে নিয়ম আগে থেকেই চলছে, কোড সেই তালেই আবার ছাপা হয়।

অনুষ্ঠান আর মেলার অস্থায়ী রাউটার

দুদিনের নেটওয়ার্কের জন্য এমন সাইনবোর্ড লাগে না যা চল্লিশবার পড়ে শোনাতে হয়। ব্যাজের গায়ে একটি কোডই যথেষ্ট।

ui.limits_heading

নেটওয়ার্কের নাম: ৩২ অক্ষর। পাসওয়ার্ড: ৬৩। এগুলো ওয়াই-ফাই মানদণ্ডেরই সীমা, এই যন্ত্রের নয়, আর ফর্মটি তা মেনে চলে।

আর সীমা গোনা হয় বাইটে, অক্ষরে নয় — বাংলার জন্য এটিই আসল কথা। ইংরেজি অক্ষরে এক বাইট, কিন্তু বাংলা অক্ষরে তিন। ফলে ৩২ বাইট মানে বাংলায় বড়জোর দশ-এগারোটি অক্ষর, আর যুক্তাক্ষর ও কার মিলিয়ে জায়গা চোখে দেখার অনেক আগেই ফুরিয়ে যায়।

বিশেষ অক্ষর সামলানোর কাজটি হয়ে গেছে। \ ; , " আর : — এই অক্ষরগুলোর কোডের ভেতরে আলাদা মানে আছে, তাই নাম বা পাসওয়ার্ডে থাকলে চিহ্নিত করতে হয়। এই যন্ত্র পাঁচটিই সামলায়। হাতে বানানো কোড ঠিক সেই পাসওয়ার্ডেই ভাঙে যেগুলো শক্ত করে বাছা হয়েছিল, কারণটা এটাই।

WPA3-এর আলাদা ঘর নেই, আর সেটিই ঠিক। বিন্যাসটি নিরাপত্তার তিনটি মান জানে — ডব্লিউপিএ, WEP আর কিছু না। WPA3 নেটওয়ার্ক ডব্লিউপিএ হিসেবেই লেখা হয়, বাকিটা ফোন আর রাউটার নিজেরা মিটিয়ে নেয়।

এক কোড মানে এক নাম। আপনার ২.৪ গিগাহার্টজ আর ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড আলাদা নামে সম্প্রচার করলে সেগুলো দুটি নেটওয়ার্ক আর দুটি কোড লাগবে। এক নাম হলে একটিতেই চলে।

৬৩ অক্ষরের সীমার কাছাকাছি পাসওয়ার্ড কোডকে চোখে পড়ার মতো ঘন করে — এখানে মাপা হয়েছে, এম স্তরে এক পাশে ৪৫ মডিউল, ছোট পাসওয়ার্ডে যেখানে ৩৩। ছাপার মাপ সেভাবেই ঠিক করুন।

ui.faq_heading

আমার ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কি কেউ কোড থেকে পড়ে ফেলতে পারে?
পারে। যেকোনও স্ক্যানার অ্যাপ সেটি লেখা হিসেবে দেখায়। কোড পাসওয়ার্ড বিলি করার সহজ উপায়, লুকানোর উপায় নয় — অতিথি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের পুরো কারণ এটিই।
নেটওয়ার্কের নাম বাংলায় রাখা যায়?
যায়, তবে আগে পরীক্ষা করে নিন। ৩২ বাইটের সীমা তখন দশ-এগারো অক্ষরে নেমে আসে, আর কিছু পুরোনো রাউটার বাংলা নাম ভেঙে সম্প্রচার করে, ফলে ফোন এমন কিছু খোঁজে যা সে দেখতেই পায় না। ইংরেজি অক্ষরের নামে দুটো ঝামেলাই এড়ানো যায়।
আমার পাসওয়ার্ডে সেমিকোলন আছে আর অন্য জায়গার কোড ভেঙে যায়।
ওটিই চেনা সমস্যা, আর এখানে সেটি ঘটে না। সেমিকোলন, কমা, কোলন, উদ্ধৃতিচিহ্ন আর ব্যাকস্ল্যাশ কোডের ভেতরে ঘর আলাদা করে, তাই আসল পাসওয়ার্ডে থাকলে সেগুলো সামলাতে হয়। এই যন্ত্র লেখার আগেই সেটি করে।
২.৪ আর ৫ গিগাহার্টজের জন্য কি আলাদা কোড লাগে?
কেবল তখনই, যখন দুই ব্যান্ড আলাদা নামে সম্প্রচার করে। কোড নাম বহন করে, কম্পাঙ্ক নয় — নাম এক হলে একটি কোডই ফোনের পছন্দমতো ব্যান্ডে যুক্ত করে।
আইফোনে কাজ করে?
করে, নতুন সংস্করণে সরাসরি ক্যামেরা অ্যাপ থেকেই, আর নতুন অ্যান্ড্রয়েডেও একইভাবে। পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আলাদা স্ক্যানার অ্যাপ লাগতে পারে; আপনার অতিথিদের হাতে পুরোনো যন্ত্র বেশি হলে সেটি একবার পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।
কেউ কোড স্ক্যান করল, কিছুই হলো না।
প্রায় সব সময়ই নামটি রাউটারের সম্প্রচারের সঙ্গে মেলে না — শেষে একটি বাড়তি স্পেস, বা বড়-ছোট হাতের অক্ষরের অমিল, কিংবা বাংলা নাম ভেঙে দেখানো। দ্বিতীয় সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো লুকানো নেটওয়ার্ক, অথচ «লুকানো» ঘরটি টিক দেওয়া হয়নি — তখন ফোন এমন কিছু খোঁজে যা সে দেখতে পায় না।

কয়েক সেকেন্ডেই QR কোড তৈরি করুন

অ্যাপ, ওয়েবসাইট এবং আরও অনেক কিছুর জন্য সহজেই শেয়ারযোগ্য QR কোড তৈরি করুন।

Google Play থেকে ডাউনলোড করুন